🚨 শেষ হইয়াও হইলোনা শেষ, নতুন শুরুর অপেক্ষায় বাংলাদেশ!!

 

গত বছরের সাফ অনূর্ধ্ব -১৭ চ্যাম্পিয়নশিপের কথা। সেবার পাকিস্তানের বিপক্ষে ট্রাইবেকারে স্বরনীয় এক জয় তুলে ফাইনালের টিকিট কাটে সাইফুল বারী টিটুর শিষ্য রা। সেই দলটার অধিনায়ক ছিল "নাজমুল হুদা ফয়সাল "। নাহ, সেবার ফাইনাল জেতা হয়নি ছেলেদের। ভারতের কাছে হারতে হয়েছিল। কিন্তু সবাই সেই দলটাকে নিয়ে বেশ আশাবাদী ছিল। মাথায় সিন্ডিকেটের ভূত না চাপলে অনূর্ধ্ব -১৭ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে আমরা সেবার কোয়ালিফাই করেই ফেলতাম৷ 

এবারের অনূর্ধ্ব -১৯ সাফের ফাইনাল৷ এবারো অধিনায়ক সেই " নাজমুল হুদা ফয়সাল "৷ ভাগ্য এবারো সুপ্রসন্ন হয়নি। হয়ত ভাগ্যবিধাতা এর চেয়েও ভাল কিছু লিখে রেখেছে এই ব্যাচটার তাকদিরে। আমি এটা জোরালো ভাবে বিশ্বাস করি। যাহোক, এই টুর্নামেন্ট এ সেই ১৭ ব্যাচের বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় ছিল৷ ছোটনের মত থার্ডক্লাস কোচ না দিয়ে হাই প্রোফাইল কাওকে দায়িত্ব দিলে এই ব্যাচটা সাফ টুর্নামেন্টে জাস্ট অন্য লেভেলের খেলা দেখাইতো। বিশ্বাস করেন আর নাই করেন...। অধিনায়ক ফয়সাল ছেলেটার খেলা যারা দেখসেন তারা বলতে পারবেন অসাধারণ তার প্রতিভা। বল কন্ট্রোলিং, প্রপার ডিস্টিবিউশন, পজিশনিং সেন্স, নেতৃত্বের গুনাবলী এক কথায় কমপ্লিট একটা প্যাকেজ এই ফয়সাল ছেলেটা৷ 


যাহোক, আমাদের উইং এ অপশন ছিল আবদুল কাদির, জয়ের মত খেলোয়াড়। কিন্তু ছোটনের হয়ত ক্যালিবারই নাই সেটা বুঝতে পারার ৷ ফরোয়ার্ড পজিশনে অপশন ছিল ফারজাদ আফতাবের মত খেলোয়াড় কে বাজিয়ে দেখার৷ কিন্তু কোচ কিছুই করেননি। 

পুরো টুর্নামেন্ট এ মুখস্থ কোচিং করিয়ে দলটার বারোটা বাজায় দিসে এই মহিলা দলের সাবেক কোচ। আমি দ্ব্যার্থহীন কন্ঠে বলতেই পারি সিন্ডিকেটের পোষ্য এই ছোটল অতীতের সকল কোচের সিন্ডিকেটের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এতটা নির্লজ্জতা আর কেও করেনি অতীতে৷ এই ছেলেগুলো ফাইনাল পর্যন্ত এসেছে সম্পূর্ণ নিজ যোগ্যতায়।  


মোরশেদ, ফয়সাল, মানিক, জয়, লাকসাম সহ আরো ২-৩ জনের ইনডিভিজুয়াল ব্রিলিয়ান্সির কারনে এই দলটা ফাইনাল পর্যন্ত এসেছে এবং বুক চিতিয়ে লড়াই করেছে। এটাই সত্য । পুরো টুর্নামেন্ট ফলো করা কাওকে জিজ্ঞেস করেন, এটাই বলবে। এই কোচের ট্যাকটিক্স ছিল ডাগআউটে বসে চিল্লাচিল্লি করা। 

এই উপরে উঠ, আগে বাড়া, মোর্শেদ রে দে, নিচে নাম, দৌড় দে, লং বল মার, জোরে মার এসব বলে খেলোয়াড়দের উপর মানসিক টর্চার করে গেছেন। এই ছোটনের জন্য অনেক খেলোয়াড় ই তার সহজাত খেলাটা খেলতে পারেনি। সেই সাথে আবদুল কাদির, এলমান মতিন ও ফারজাদ আফতাবের সাথে অন্যায়ভাবে সিন্ডিকেট করে গেইম টাইম দিলেন না। এসব জানোয়ারদের আমি কোন বিশেষনে বিশেষায়িত করব ঠিক জানিনা৷ 

ফারজাদ, মোরশেদ, কাদির বা ফয়সাল৷ এরাই আমাদের ভবিষ্যতের বাংলাদেশের হাল ধরবে আপনি লিখে রাখেন৷ আজ যারা অন্যায়ভাবে তাদের স্বপ্নকে এত কাছ থেকেও ছুতে দিলেন না। আপনারা একদিন কাঠগড়ায় উঠবেন। মোর্শেদ আফতাবরা কোটি বাঙালীর চোখের মনি হয়ে বারংবার ফিরে আসবে৷ ফাহমিদুলরা এসেছে ওরাও আসবে আগামীর বাংলাদেশ হয়ে...... 🇧🇩 


লিখা- আদিব নাশিদ (একজন ক্ষুদ্র সমর্থক) 


Post a Comment

Previous Post Next Post