সমর্থক এবং বাংলাদেশ ❗

লোকে বলে, স্রস্টার সৃষ্টির ভেতর মানুষ নামের প্রানীটা নাকি বড্ড আবেগপ্রবন। যথার্থ ই হয়ত বলে।


দেশের মৃতপ্রায় ফুটবল আর তথাকথিত আত্মস্বীকৃত সফল মানুষ দের হাতে উচু চেয়ারের দায়িত্বপ্রাপ্ত মানুষ গুলো কি ফোনের এ প্রান্তের মানুষ গুলোর আবেগ বুঝতে পারে??  

যদি পারে তবে কোথায় সেই চেষ্টা টুকু ফুটবলকে বাচানোর? আর যদি নাই পারে তাহলে কেন ব্যার্থতার দায় একা পড়বে ঔ ছোট মাঠটাতে ৯০ মিনিট দৌড়ে বেড়ানো ১১ জন বাংলাদেশ এর। দায় এড়ানো কি এতটাই সহজ?  

যে মানুষ টা ইউরোপ কিংবা ল্যাটিন আমেরিকার ফুটবল দুনিয়ায় রাজত্ব করা ফুটবলারদের খেলা দেখার জন্য রাত জাগে তার মনের এক কোনায় হয়ত এক টুকরো হতাশা জমে। ইসসস এমন যদি আমার দেশটা খেলতো। পরক্ষণেই একরাশ হতাশা সে আশাতে পানি ঢেলে দেয়৷ এটা কি আদৌ সম্ভব?  

আর কখনো খেলাই দেখব না বলা মানুষ টাও রিমোট নিয়ে ঠিক ই সময় মত হাজির হয়ে যায়, বিদেশি ক্লাবগুলোর গতিময় ফুটবল রেখে কেও কেও এনালাইসিস করতে বসে কি হতে যাচ্ছে বা কি হবে, প্রচন্ড রাগী মানুষ টাও আফসোস ভরা কন্ঠে বলে উঠে,ধুরররর!! এদের দারা কিচ্ছু হবেনা!! 

আবার সেই রাগী মানুষ টাই মনের কোনে আশা নিয়ে বসে যদি জিতে যাই। বিদেশী ক্লাবগুলোর ডাইহার্ড ফ্যানরা উল্লাশ করে। আদৌ কি মনের শান্তি মেলে??? 


সমিত সোম কিংবা হামজার গোলের পর নিজের অজান্তেই চিৎকার করে উঠেছিলাম। পাড়ায় চা এর দোকান থেকেও চিৎকার ভেসে এসেছিল। মিছিল হয়েছে এলাকায় এলাকায়৷ মনের শান্তিটা বুঝেছিলাম । একটাই ত দেশ। বাংলাদেশ৷ ভালবাসি দেশকে দেশের ফুটবলকে৷ আরেকটা জয় কিংবা ড্র হলেও কম কিসের। 

হারলেও বাংলাদেশ জিতলেও বাংলাদেশ। মাঠে তোমরা সমথর্নে আমরা। ইনশাআল্লাহ ভালো কিছু ই হতে চলেছে 💞 

লিখা- আদিব নাশিদ (একজন ক্ষুদ্র সমর্থক)

Post a Comment

Previous Post Next Post