🚨 ফাহমিদুল কে দল থেকে বাদ দেয়ার নেপথ্যে কে বা কারা ❓

সিন্ডিকেট করে ফাহমিদুল কে বাদ দেওয়ার নেপথ্যে নেতৃত্ব দিয়েছেন তপু বর্মন, সোহেল রানা ও সাদ উদ্দিন। কালবেলার প্রকাশিত রিপোর্টে এমনটিই জানা গেছে ‼ 


❝ সিন্ডিকেটে নেতৃত্ব দিয়েছেন মূলত তিনজন। যার একজন সেন্টারব্যাক পজিশনে খেলেন, একজন মিডফিল্ডার, আরেকজন উইঙ্গার থেকে মেকশিফট ফুলব্যাক হিসেবে জাতীয় দলে খেলছেন। তিনজনই প্রভাবশালী একটি ক্লাবের সতীর্থ।❞ [সূত্র-কালবেলা] 


কালবেলায় প্রকাশিত এই রিপোর্ট ডিকোড করলে বেরিয়ে আসবে ভয়ংকর সব তথ্য । চলুন পয়েন্ট আকারে দেখে নিই বিস্তারিত ⬇️ 

বা থেকে - তারিক, ফাহমিদুল, কাজেম ও জামাল


১. ফাহমিদুল কে "প্রবাসী কল্যান সমিতির " সদস্য বলে রাগান্বিত করার চেস্টা করতো একটা গ্রুপ৷ এই গ্রুপকে নেতৃত্ব দেয়া প্রথমজন হচ্ছেন "তপু বর্মন "। মদকান্ডে নিষিদ্ধ হবার পরেও ডিসিপ্লিন ইস্যুতে এখনো গা ছাড়া ভাব এই তপুর৷ অধিনায়কত্ব করবেন জানার পরেও ম্যাচের দিন দুপুরে গিয়েছেন শপিং করতে। এত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরুর অল্প কিছু সময় পরেই ইন্জুরিতে পড়ে দলকে বিপদে ঠেলে দেন এই তপু ।। 



২. সিন্ডিকেটের অন্য তম প্রধান এক চরিত্র বলা যায় সাদ উদ্দিন কে। আপন ভাই তাজের সাথে ইনজাস্টিস করে দল থেকে বাদ দেয়ার মত গুন্জন রয়েছে এই সাদের বিরুদ্ধে । মূলত উইঙ্গার সাদ বনে গেছেন পুরেদমে ফুলব্যাক। এমনকি স্কোয়াডে তাকে জায়গা দিতে গিয়ে " ইসা ফয়সাল " এর মত দেশসেরা ফুলব্যাক কে নামায় নি কোচ৷

 ফাহমিদুল কে দল থেকে বাতিল করার অন্যতম এই হোতা সাদ জানতেন উইং ব্যাক পজিশনে ফাহমিদুল কে কোচ খেলাতে পারেন৷ তাই তাকে স্কোয়াডে রাখলে নিজেরই বিপদ ডেকে আনবেন৷ সেজন্য বেছে নিয়েছেন বুলিং এর মত নোংরা পথ৷ তাছাড়া প্রাকটিসে শ্রাবনের সাথে বাকবিতন্ডা হয় ফাহমিদুল এর যার পরিপ্রেক্ষিতে সিন্ডিকেট প্রমান করতে সমর্থ হয় ফাহমিদুল অল্পতেই রেগে যায়৷ কিন্তু পেছনের গল্প অনেকেরই অজানা৷  


৩. সোহেল রানা সিনিয়র কে নিয়ে কি বলব ভাই। আমি হতাশ ক্ষুদ্ধ, রাগান্বিত৷ মূলত মিডফিল্ডে নিজের স্থান ধরে রাখতে কৌশলে আরো একজন প্রবাসী ফুটবলার এর সাথে ঝামেলা করেছে সোহেলের গ্রুপটি৷ অজানা কারনে কাজেম শাহ কে বাদ দেয়া হলো, জামালকে নামানো হলোনা। এমনকি জামালকে জানানোও হয়নি যে তাকে খেলানো হবেনা৷ 

৪. মূলত সৌদি থেকে দলের সাথে ফাহমিদুল দেশে আসলে সিন্ডিকেটের গলার কাটা হয়ে দাড়াত এবং তাদের পছন্দ মত খেলোয়াড় খেলাতে পারতোনা৷ দেখুক আমাদের হাতে জেনুইন নম্বর নাইন থাকার পরেও আমরা আল আমিন কে খেলাতে পারিনাই। উল্টো ইমনকে দিয়ে নম্বর নাইন রোলে খেলানো হলো অথচ তার পজিশন উইঙ্গার৷ মূলত এটা করা হ'য়েছে উইং এ ফয়সাল ফাহিমের পজিশন ঠিক রাখার জন্য৷ 

আমাদের হাতে লীগে দুর্দান্ত পারফর্ম করা ইব্রাহিম এর অপশন থাকার পরেও ফাহিম কে নামানো হ'য়েছে৷ মিডে চন্দন, জনিদের মত আনকোরা প্রোডাক্ট খেলানো হয়েছে৷   


আর লিখতে পারতেসিনা। ফাহমিদুল ইস্যু বাদেও দলের অভ্যন্তরে আরো বেশ কিছু প্লেয়ারের বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট চলমান৷ জামাল, কাজেম, মিঠু, ইয়াসীন, ইব্রাহিম, আল আমিন যার ভুক্তভোগী । এদের গল্প ও আলাদা। সময় করে লিখব৷

 আপাতত ফাহমিদুল কে বাদ দেয়ার মূল চার হোতা, শ্রাবন, তপু, সোহেল ও সাদের বিষয়ে বিস্তারিত লিখলাম৷ এখন দেখেন যেটা ভাল মনে করেন আপনারা 😞নিজেদের স্বার্থের জন্য, কয়টা টাকার জন্য যারা দেশের সাথে বেঈমানী করে তাদের জায়গা কোথায় হওয়া উচিত আপনারাই বলে দেন...  


ধন্যবাদ 🙂

Post a Comment

Previous Post Next Post